Posts

হযরত সাইয়্যিদুনা আহমদ শহীদ বেরলভী (রহঃ) সম্পর্কে বিভিন্ন ওলামায়ে কেরামের মন্ত্যব।

ব্রিটিশ বেনিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল শহীদে আযম, আমীরুল মু'মিনিন, সুলত্বানুল আরেফীন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে থাকে। ব্রিটিশ প্রভুদের খুশি করতে ইসলামের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে তারা এহেন কুকর্ম করে থাকে। প্রকৃত ইতিহাসকে গোপন রেখে, ইতিহাসকে বিকৃত করে এই দালালরা হযরত আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার বিরোধিতা করে। অথচ পৃথিবীর কোন ইতিহাসে এই ইংরেজদের খুদকুড়া খাদক দলটি ছাড়া শহীদ আযম হযরত আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার বিরোধিতা করে নাই। আসুন আমরা হযরত আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে প্রসংসাকারী হাজার হাজার দলীল থেকে কতিপয় দলীল পেশ করি- মাওলানা হায়দার আলী রামপুরী লিখেন- " হযরত আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার হেদায়েতের নূর অত্যুজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের ন্যায় দেশ দেশান্তরের মানুষের হৃদয় রাজ্যে উদ্ভাসিত করে তুলেছে।" দলীল- √ সিয়ানাতুন্নস ৫-৬ পৃষ্ঠা। হযরত মাওলানা বেলায়েত আলী আযিমাবাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে লেখ...

❤❤দরূদ শরীফ পড়ার ফজিলত❤❤

Image
❤ ❤ দরূদ শরীফ পড়ার ফজিলত ❤ ❤ দরূদ শরীফের উপকারীতা অসংখ্য। দরূদ শরীফ পড়ার সবচেয়ে বড় উপকারীতা হচ্ছে, যে ব্যক্তি একবার রসুলুল্লাহ ( স. ) এর প্রতি দরূদ শরীফ পড়ে, আল্লাহ তায়ালা এবং ফেরেশতাগণ ঐ ব্যক্তির প্রতি দশবার দরূদ পাঠান এবং ঐ ব্যক্ত... ির জন্য দশ প্রকার সম্মান সমুন্নত হয়, ১০টি পূণ্য লেখা হয়, ১০টি পাপ মোচন হয়। এছাড়াও - রসুলুল্লাহ ( স. ) এর শাফায়াত ঐ ভ্রক্কির জন্য আবশ্যক হয়ে যায়। - কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি রসুলুল্লাহ ( স. ) এর সঙ্গে থাকবে। - ইচ্ছা ছাড়াও দরূদ শরীফ পড়লে দ্বীণ-দুনিয়ার কাজ সম্পন্ন হয়, গুনাহ মাফ হয়। - দরূদ শরীফ পড়লে তা সদকায় রূপান্তরিত হয়। - এর বরকতে কষ্ট ও কাঠিন্য বিদূরীত হয়, রোগমুক্তির ভাগ্য হয়। - দরূদ পাঠকের জন্য সর্বদা ফেরেশতাগণ রহমত কামনা করেন এবং অন্তর পরিশুদ্ধ হয়, বাড়ি ও সম্পদে বরকত হয়। - দরূদ শরীফ পাঠকের বংশে কয়েক পুরুষ পর্যন্ত বরকতের প্রভাব বজায় থাকে - মৃত্যুর আযাব হতে পরিত্রাণ পান, কিয়ামতের ভয়ানক অবস্থায় নিশ্চিন্ত থাকে। - এর বরকতে দারিদ্রতা বিদূরীত হয়। - যে সমাবেশে দরূদ পড়া হয় আল্লাহ তায়ালার রহমত তাকে ঢেকে নেয়। - কিয়ামতের দিন রসুলুল্...

হযরত ইব্রাহিম আদহাম (রহঃ)

হযরত ইব্রাহিম আদহাম (রহঃ) প্রথম জীবনে বলখের বাদশাহ ছিলেন। পরে সর্বস্ব   ত্যাগ করে তারেকে দুনিয়া হন। তিনি খোদা ভক্ত সত্যনিষ্ঠ কঠোর এবং   সর্বজনপ্রিয় সাধক বুযুর্গ ছিলেন। তিনি ইমাম আবু হানিফা (রাঃ)এর সাথে প্রায়ই   সাক্ষাত করতেন। হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ) বলিয়াছেন  ”  ইব্রাহিম আদহাম সেই   যুগের জ্ঞানী ও বিদ্বান ব্যাক্তিগনের জ্ঞ্যান ও বিদ্যার চাবি স্বরুপ   ছিলেন ” । কথিত আছে ইব্রাহিম একদা ইমাম হযরত আবু হানিফা (রঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ   করতে যান। ইমাম সাহেবের সহচরগন তাঁর প্রতি কিছুটা অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ করায়   ইমাম সাহেব সঙ্গীগনকে বল্লেন  ”  ইব্রাহিম আমাদের নেতৃস্থাণীয় এবং সম্মানের   পাত্র ” । সহচরগন তখন জিজ্ঞাসা করল ,”  ইনি কিরুপে এমন সম্মানের পাত্র হইলেন ?”  উত্তরে ইমাম সাহেব বলেন ”  ইনি সর্বদা আল্লাহর এবাদতে মশগুল থাকেন আর আমরা   অন্য কাজেও মশগুল থাকি।ইব্রাহিম ছিলেন বলথ এবং তৎপার্শ্ববর্তী এক বৃহৎ অঞ্চলের একজন পরাক্রমশালী   বাদশাহ। যখন তার বাহন রাস্তায় বের হতো ,  তখন সোনালী ঢাল ধারী ৪০জন আরোহী ও   ৪০...